-
আমাদের ত্রাণেশ্বরে উল্লাসিত২০০০ প্রহরীদুর্গ | ফেব্রুয়ারি ১
-
-
১৮. হবক্কূক যদিও জানতেন যে কষ্ট আসবে, তবুও তিনি কেমন মনোভাব দেখিয়েছিলেন?
১৮ যুদ্ধবিগ্রহ সবসময়েই কষ্ট নিয়ে আসে, এমনকি শেষ পর্যন্ত যারা জয়ী হন তাদের জন্যও। খাদ্যের আকাল দেখা দিতে পারে। সম্পত্তি নষ্ট হতে পারে। জীবনযাত্রার মান নিচে নেমে যেতে পারে। আমাদের প্রতি যদি এইরকম ঘটে, তাহলে আমরা কেমন মনে করব? এই ব্যাপারে হবক্কূক এক উদাহরণযোগ্য মনোভাব দেখিয়েছিলেন কারণ তিনি বলেছিলেন: “যদিও ডুমুরবৃক্ষ পুষ্পিত হইবে না, দ্রাক্ষালতায় ফল ধরিবে না, জিতবৃক্ষ ফলদানে বঞ্চনা করিবে, ও ক্ষেত্রে খাদ্যদ্রব্য উৎপন্ন হইবে না, খোঁয়াড় হইতে মেষপাল উচ্ছিন্ন হইবে, গোষ্ঠে গোরু থাকিবে না; তথাপি আমি সদাপ্রভুতে আনন্দ করিব, আমার ত্রাণেশ্বরে উল্লাসিত হইব।” (হবক্কূক ৩:১৭, ১৮) হবক্কূক প্রকৃতই কষ্ট, সম্ভবত দুর্ভিক্ষ আশা করেছিলেন। তবুও, তিনি কখনও যিহোবা, যাঁর কাছ থেকে তার পরিত্রাণ আসবে তাঁকে সেবা করার আনন্দকে হারিয়ে ফেলেননি।
-
-
আমাদের ত্রাণেশ্বরে উল্লাসিত২০০০ প্রহরীদুর্গ | ফেব্রুয়ারি ১
-
-
২০. কষ্ট সত্ত্বেও আমরা কেন ভেঙে পড়ব না?
২০ তাই, অল্প সময়ের জন্য যে ধরনের কষ্টের মুখোমুখিই আমরা হই না কেন, আমরা ভেঙে পড়ব না অথবা যিহোবার রক্ষা করার ক্ষমতায় বিশ্বাস হারাবো না। আফ্রিকা, পূর্ব ইউরোপ এবং অন্যান্য জায়গায় আমাদের অনেক ভাইবোনদের নিদারুণ কষ্ট ভোগ করতে হয় কিন্তু তারা ‘সদাপ্রভুতেই আনন্দ করা’ চালিয়ে যান। আমরাও যেন তাদের মতো সেইরকম করি। মনে রাখবেন যে সার্বভৌম প্রভু যিহোবাই হলেন আমাদের ‘বলের’ উৎস। (হবক্কূক ৩:১৯) তিনি আমাদেরকে কখনোই নিরাশ করবেন না। হর্মাগিদোন আসবেই আসবে আর কোন সন্দেহ নেই যে এরপর নতুন জগৎও আসবে। (২ পিতর ৩:১৩) তখন “সমুদ্র যেমন জলে আচ্ছন্ন, তেমনি পৃথিবী সদাপ্রভুর মহিমাবিষয়ক জ্ঞানে পরিপূর্ণ হইবে।” (হবক্কূক ২:১৪) কিন্তু সেই সময় না আসা পর্যন্ত, আসুন আমরা হবক্কূকের উদাহরণ অনুসরণ করি। আসুন আমরা সবসময় ‘যিহোবাতে আনন্দ করি, আমাদের ত্রাণেশ্বরে উল্লাসিত হই।’
-