ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • ১৯১৪ সালের বংশ—কেন গুরুত্বপূর্ণ
    প্রহরীদুর্গ—১৯৯২ | আগস্ট ১
    • প্রথম শতাব্দীতে, যীশু বলেন যে তার উপস্থিতি পৃথিবীর অদৃশ্য রাজারূপে শুরু হবে এক দৃশ্যত চিহ্নের মাধ্যমে। তাকে প্রশ্ন করা হয়: “আর আপনার আগমনের এবং যুগান্তের চিহ্ন কি?” তার উত্তর? “কারণ জাতির বিপক্ষে জাতি ও রাজ্যের বিপক্ষে রাজ্য উঠিবে, এবং স্থানে স্থানে দুর্ভিক্ষ ও ভূমিকম্প হইবে। কিন্তু এ সকলই যাতনার আরম্ভ মাত্র।—মথি ২৪: ৩, ৭, ৮.

      ঠিক সেইভাবে যে যুদ্ধ আরম্ভ হয় ১৯১৪ সালে তার সাথী হয় দারুণ খাদ্যাভাব, কারণ স্বাধারণ খাদ্য উৎপাদন ব্যহত হয় প্রায় চার বৎসর। আর “স্থানে স্থানে ভূমিকম্প” সম্বন্ধেই বা কি? যে দশক ১৯১৪ সালের পরে চলে, তাতে ১০টি বিধ্বংসী ভূমিকম্প প্রায় ৩৫০,০০০ উপরে লোককে হত্যা করে। (বাক্স দেখুন) সত্যই ১৯১৪ সালের বংশ অভিজ্ঞতা করে “যাতনার আরম্ভ।” আর তারপর থেকে, যাতনা নিয়মিতভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগে, দুর্ভিক্ষ, এবং অনেক, অনেক যুদ্ধে আঘাত করে চলেছে।

      যাহাহোক, ঈশ্বরের রাজ্যের স্বর্গে স্থাপনা ১৯১৪ সালে এক সুসংবাদ কারণ তা পৃথিবীকে রক্ষা করবে ধ্বংস থেকে। কি করে? তা সমস্ত মিথ্যা ও ভণ্ড ধর্মকে, ভ্রষ্ট সরকারগুলিকে, এবং শয়তানের যে দুষ্ট প্রভাব তা সরিয়ে দেবে। (দানিয়েল ২:৪৪; রোমীয় ১৬:২০; প্রকাশিত বাক্য ১১:১৮; ১৮:৪-৮, ২৪) আরও, সেই নতুন জগতকে নিয়ে আসবে যেখানে “ধার্ম্মিকতা বসতি করে।”—২ পিতর ৩:১৩.

      শীঘ্রই প্রথম মাহাযুদ্ধের পর, অকপট বাইবেল স্টুডেন্টস যে নামে যিহোবার সাক্ষীরা তখন পরিচিত ছিল, তারা বুঝতে আরম্ভ করে আরেকটি সুযোগ এই চিহ্নের যা যীশু খ্রীষ্টের আগমনে ঘটবে তিনি বলেন: “আর সর্ব্ব জাতির কাছে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত রাজ্যের এই সুসমাচার সমুদয় জগতে প্রচার করা যাইবে; আর তখন শেষ উপস্থিত হইবে।”—মথি ২৪:১৪.

      ১৯১৯ সালের ছোট আরম্ভ থেকে যিহোবার সাক্ষীরা কোন বিরাম না দিয়ে “এই সুসমাচার” প্রচার করে চলেছে। এর ফল স্বরূপ, লক্ষ লক্ষ ব্যক্তিদের প্রায় ২০০ দেশ থেকে একত্র করা হচ্ছে ঈশ্বরের রাজ্যের প্রজা হিসাবে। আর এই প্রজাদের জন্য কি আশীর্বাদ অপেক্ষা করছে! রাজ্য যুদ্ধকে, খাদ্যাভাব, আপরাধ, এবং অত্যাচারকে মুছে দেবে। তা এমনকি রোগ ও মৃত্যুকেও পরাভুত করবে!—গীতসংহিতা ৪৬:৯; ৭২:৭, ১২-১৪, ১৬; হিতোপদেশ ২:২১, ২২; প্রকাশিত বাক্য ২১:৩, ৪.

      ১৯১৪ সালের বংশ শেষ হয়ে যাবার পূর্বে, রাজ্যের প্রচার তার যে উদ্দেশ্য তা সাধন করবে। “তৎকালে” যীশু ভবিষ্যদ্‌বানি করেন, “মহাক্লেশ উপস্থিত হইবে, যেরূপ জগতের আরম্ভ অবধি এ পর্য্যন্ত কখনও হয় নাই কখনও হইবেও না। আর সেই দিনের সংখ্যা যদি কমাইয়া দেওয়া না যাইত, তবে কোন প্রাণই রক্ষা পাইত না; কিন্তু মনোনীতদের জন্য সেই দিনের সংখ্যা কমাইয়া দেওয়া যাইবে।”—মথি ২৪:২১, ২২.

  • ১৯১৪ সালের বংশ—কেন গুরুত্বপূর্ণ
    প্রহরীদুর্গ—১৯৯২ | আগস্ট ১
    • [৭ পৃষ্ঠার বাক্স]

      ভূমিকম্প ১৯১৪ সালের পরের দশকগুলিতে

      তারিখ: স্থান: মৃত্যু:

      জানুয়ারি ১৩, ১৯১৫ অভেজেনো, ইতালি ৩২,৬০০

      জানুয়ারি ২১, ১৯১৭ বালি, ইনদোনেশিয়া ১৫,০০০

      ফেব্রুয়ারী ১৩, ১৯১৮ কোয়াংটুং প্রদেশ, চীন ১০,০০০

      অক্টোবর ১১, ১৯১৮ পোরটো রিকো (পশ্চিমে) ১১৬

      জানুয়ারী ৩, ১৯২০ ভেরাক্রুজ, মেক্সিকো ৬৪৮

      সেপ্টেম্বর ৭, ১৯২০ রেগিও ডি কালাব্রিয়া, ইতালি ১,৪০০

      ডিসেম্বর ১৬, ১৯২০ নিংসিয়া প্রদেশ, চীন ২০০,০০০

      মার্চ ২৪, ১৯২৩ জেক্‌ওয়ান প্রদেশ, চীন ৫,০০০

      মে ২৬, ১৯২৩ ইরান (উত্তরপূর্বে) ২,২০০

      সেপ্টেম্বর ১, ১৯২৩ টোকিও-ইওকোহামা, জাপান ৯৯,৩০০

      টেরা নন ফারমা যে বই-এর “জগতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকম্পগুলি” তালিকা থেকে নেওয়া হয়েছে, যা জেমস্‌ এম গীর এবং হরেশ শাহ কর্তৃক।

বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
লগ আউট
লগ ইন
  • বাংলা
  • শেয়ার
  • পছন্দসমূহ
  • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
  • ব্যবহারের শর্ত
  • গোপনীয়তার নীতি
  • গোপনীয়তার সেটিং
  • JW.ORG
  • লগ ইন
শেয়ার