ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • যেভাবে এক ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখা যায়
    ২০১৪ প্রহরীদুর্গ | মার্চ ১৫
    • ৮, ৯. (ক) দরিদ্র বিধবার পরিস্থিতি কেমন ছিল? (খ) সেই বিধবার হয়তো কোন ধরনের নেতিবাচক অনুভূতি ছিল?

      ৮ যিরূশালেমের মন্দিরে, যিশু একজন দরিদ্র বিধবাকে লক্ষ করেছিলেন। তার উদাহরণ আমাদেরকে নিজেদের সীমাবদ্ধতাগুলো সত্ত্বেও এক ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখার ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে। (পড়ুন, লূক ২১:১-৪.) সেই বিধবার পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেখুন: তাকে স্বামী হারানোর দুঃখ সহ্য করতে হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, সেই সময়কার ধর্মীয় পরিস্থিতিও অনুকূলে ছিল না কারণ তখনকার দিনের ধর্মীয় নেতারা এইরকম দুর্দশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের সাহায্য করার পরিবর্তে বরং ‘বিধবাদের গৃহ গ্রাস করিত।’ (লূক ২০:৪৭) তাই, তিনি এতটাই দরিদ্র ছিলেন যে, একজন শ্রমিক মাত্র কয়েক মিনিটে যা আয় করতেন, তিনি কেবল সেটাই দান করতে পারতেন।

      ৯ সেই বিধবা যখন তার দুটো ক্ষুদ্র মুদ্রা নিয়ে মন্দিরের প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছিলেন, তখন তার কেমন লেগেছিল, তা কল্পনা করার চেষ্টা করুন। তিনি কি এইরকম চিন্তা করেছিলেন যে, তার স্বামী বেঁচে থাকতে তিনি হয়তো যতটুকু দান করতে পারতেন, সেটার তুলনায় কত কমই-না দান করছেন? তার আগে অন্যদেরকে বিরাট অঙ্কের দান করতে দেখে তিনি কি অস্বস্তি বোধ করেছিলেন, হয়তো এইরকমটা ভেবেছিলেন যে, তার দান একেবারেই মূল্যহীন? সেই সময় তার যদি এইরকম অনুভূতি থেকেও থাকে, তবুও সত্য উপাসনার জন্য তিনি তার যথাসাধ্য করেছিলেন।

  • যেভাবে এক ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখা যায়
    ২০১৪ প্রহরীদুর্গ | মার্চ ১৫
    • ১১. বিধবার বিবরণ থেকে আপনি কি শিখতে পারেন?

      ১১ আপনার পরিস্থিতি হয়তো যিহোবাকে আপনি যা দিতে পারেন, সেটার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। বার্ধক্য অথবা শারীরিক দুর্বলতার কারণে কেউ কেউ হয়তো প্রচার কাজে অন্যদের চেয়ে কম সময় দিয়ে থাকে। তাদের কাজ রিপোর্ট করার মতো উপযুক্ত কি না, সেটা নিয়ে সন্দেহ করা কি তাদের পক্ষে যুক্তিযুক্ত? এমনকী আপনার যদি অনেক সীমাবদ্ধতা না-ও থাকে, তবুও আপনি হয়তো মনে করতে পারেন যে, ঈশ্বরের লোকেরা তাঁকে উপাসনা করার জন্য প্রতি বছর যে-ঘন্টা ব্যয় করে থাকে, সেটাতে আপনার অবদান খুবই সামান্য। কিন্তু, দরিদ্র বিধবার বিবরণ থেকে আমরা জানতে পেরেছি যে, যিহোবা তাঁর জন্য করা সমস্ত কাজ লক্ষ করেন এবং সেগুলোকে মূল্যবান বলে মনে করেন, বিশেষভাবে তা যখন বিভিন্ন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে থেকেও করা হয়। যিহোবার প্রতি আপনার গত বছরের উপাসনা নিয়ে চিন্তা করুন। আপনি তাঁকে যে-ঘন্টাগুলো প্রদান করেছেন, সেগুলোর মধ্যে এমনকী একটা ঘন্টা ব্যয় করার জন্যও কি আপনাকে বিশেষ ত্যাগস্বীকার করতে হয়েছিল? যদি তা-ই হয়, তাহলে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে, সেই এক ঘন্টায় আপনি তাঁর জন্য যা করেছিলেন, সেটাকে তিনি মূল্যবান বলে মনে করেন। সেই দরিদ্র বিধবার মতো আপনি যখন যিহোবার সেবায় আপনার যথাসাধ্য করেন, তখন এটা বিশ্বাস করার জোরালো কারণ আপনার রয়েছে যে, আপনি “বিশ্বাসে” আছেন।

বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
লগ আউট
লগ ইন
  • বাংলা
  • শেয়ার
  • পছন্দসমূহ
  • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
  • ব্যবহারের শর্ত
  • গোপনীয়তার নীতি
  • গোপনীয়তার সেটিং
  • JW.ORG
  • লগ ইন
শেয়ার