-
“ঈশ্বর পক্ষপাতিত্ব করেন না”ঈশ্বরের রাজ্য সম্বন্ধে ‘পুঙ্খানুপুঙ্খ সাক্ষ্য দেওয়া’!
-
-
১-৩. পিতর দর্শনে কী দেখেছিলেন এবং এই দর্শনের অর্থ বোঝা আমাদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
সময়টা ছিল ৩৬ খ্রিস্টাব্দের শরৎ কাল। পিতর সমুদ্রের ধারে একটা বাড়ির খোলা ছাদে দুপুর বেলায় প্রার্থনা করছেন। তিনি কয়েক দিন ধরে এই বাড়িতে অতিথি হিসেবে রয়েছেন। এই বাড়ির মালিক শিমোন চামড়ার ব্যাবসা করেন। খুব কম যিহুদি রয়েছে, যারা একজন চর্মকারের বাড়িতে থাকতে চাইবে।a পিতর এই বাড়িতে থেকে এটা প্রমাণ করেছিলেন যে, তার মনের মধ্যে কোনোরকম পক্ষপাতিত্বের মনোভাব নেই। তিনি জানতেন, যিহোবা ঈশ্বর কখনো পক্ষপাতিত্ব করেন না এবং তাঁর চোখে সমস্ত মানুষ সমান। কিন্তু, তারপরও তিনি ঈশ্বরের এই গুণ সম্বন্ধে এক বড়ো শিক্ষা লাভ করতে যাচ্ছিলেন।
-
-
“ঈশ্বর পক্ষপাতিত্ব করেন না”ঈশ্বরের রাজ্য সম্বন্ধে ‘পুঙ্খানুপুঙ্খ সাক্ষ্য দেওয়া’!
-
-
a চামড়ার ব্যাবসায়ীরা পশুর ছাল এবং মৃতদেহ থেকে চামড়া তৈরি করত এবং কিছু নোংরা জিনিসও ব্যবহার করত যেমন, কুকুরের মল। সেইজন্য কিছু যিহুদি তাদের নীচু চোখে দেখত। যিহুদিরা এটা চাইত না যে, যারা চামড়ার কাজ করে, তারা মন্দিরে প্রবেশ করুক। শুধু তাই নয়, এদের নগরের সীমানা থেকে কমপক্ষে ২০ মিটার দূরে ব্যাবসা করতে হত। আর সম্ভবত এই কারণেই শিমোনের বাড়ি লোকালয় থেকে দূরে “সাগরের ধারে” ছিল।—প্রেরিত ১০:৬.
-