-
আমাদের প্রত্যাশায় আনন্দ করা২০১২ প্রহরীদুর্গ | মার্চ ১৫
-
-
১০, ১১. (ক) আরও মেষের সামনে কোন প্রত্যাশা রাখা হয়েছে? (খ) কীভাবে সেই পার্থিব প্রত্যাশার বাস্তবায়ন খ্রিস্ট এবং “ঈশ্বরের পুত্ত্রগণের প্রকাশপ্রাপ্তির” সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত?
১০ প্রেরিত পৌল, খ্রিস্টের “সহদায়াদ” হিসেবে আত্মায়জাত “ঈশ্বরের পুত্ত্রগণের” গৌরবান্বিত প্রত্যাশা সম্বন্ধে লিখেছিলেন। তার পর, তিনি সেই চমৎকার প্রত্যাশা সম্বন্ধে উল্লেখ করছিলেন, যা যিহোবা আরও মেষের অসংখ্য ব্যক্তিদের জন্য রেখেছেন: “সৃষ্টির [মানুষের] ঐকান্তিকী প্রতীক্ষা ঈশ্বরের পুত্ত্রগণের [অভিষিক্ত ব্যক্তিদের] প্রকাশপ্রাপ্তির অপেক্ষা করিতেছে। কারণ সৃষ্টি অসারতার বশীকৃত হইল, স্ব-ইচ্ছায় যে হইল, তাহা নয়, কিন্তু বশীকর্ত্তার নিমিত্ত; এই প্রত্যাশায় হইল যে, সৃষ্টি নিজেও ক্ষয়ের দাসত্ব হইতে মুক্ত হইয়া ঈশ্বরের সন্তানগণের প্রতাপের স্বাধীনতা পাইবে।”—রোমীয় ৮:১৪-২১.
-
-
আমাদের প্রত্যাশায় আনন্দ করা২০১২ প্রহরীদুর্গ | মার্চ ১৫
-
-
১২. অভিষিক্ত ব্যক্তিদের প্রকাশপ্রাপ্তি, মানবজাতির জন্য কোন গৌরবময় উপকারগুলো নিয়ে আসবে?
১২ খ্রিস্টের হাজার বছরের রাজত্বের সময়ে মানব ‘সৃষ্টি’ কতই না স্বস্তি লাভ করবে! সেই সময়ে, “ঈশ্বরের” গৌরবান্বিত “পুত্ত্রগণের” আরেকটা উপায়ে ‘প্রকাশপ্রাপ্তি’ হবে, যখন তারা খ্রিস্টের সঙ্গে যাজক হিসেবে কাজ করবে, যিশুর মুক্তির মূল্যরূপ বলিদানের উপকারগুলো প্রয়োগ করবে। স্বর্গীয় রাজ্যের প্রজা হিসেবে মানব ‘সৃষ্টি’ পাপ ও মৃত্যুর প্রভাব থেকে উদ্ধার লাভ করতে শুরু করবে। বাধ্য মানুষেরা ধীরে ধীরে ‘ক্ষয়ের দাসত্ব হইতে মুক্ত হইবে।’ তারা যদি হাজার বছর চলাকালীন এবং সেই সময়ের শেষে যে-চূড়ান্ত পরীক্ষা হবে, তখন যিহোবার প্রতি বিশ্বস্ত থাকে, তাহলে তাদের নাম স্থায়ীভাবে ‘জীবন-পুস্তকে’ লেখা হবে। তারা ‘ঈশ্বরের সন্তানগণের প্রতাপের স্বাধীনতায়’ প্রবেশ করবে। (প্রকা. ২০:৭, ৮, ১১, ১২) সত্যিই এক গৌরবময় প্রত্যাশা!
-