-
নিরপেক্ষ থাকার অর্থ কী?চিরকাল জীবন উপভোগ করুন!—ঈশ্বরের কাছ থেকে শিখুন
-
-
২. কীভাবে আমরা নিরপেক্ষ থাকতে পারি?
আমরা রাজনীতিতে অংশ নিই না, ঠিক যেমন যিশুও নেননি। একবার লোকেরা যিশুর অলৌকিক কাজ দেখে তাঁকে রাজা করার জন্য এসেছিল। কিন্তু, তিনি রাজি হননি আর সেখান থেকে চলে গিয়েছিলেন। (যোহন ৬:১৫) পরে তিনি বলেছিলেন, “আমার রাজ্য এই জগতের অংশ নয়।” (যোহন ১৮:৩৬) আমরাও বিভিন্নভাবে দেখাই যে, আমরা নিরপেক্ষ রয়েছি, যেমন, আমরা যুদ্ধে অংশ নিই না। (পড়ুন, মীখা ৪:৩.) আমরা পতাকার মতো জাতীয় প্রতীকগুলোর উপাসনা করি না, তবে এগুলোকে আমরা অসম্মানও করি না। (১ যোহন ৫:২১) আমরা কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের অথবা প্রার্থীর পক্ষ নিই না, আর এমনকি তাদের বিপক্ষেও কিছু বলি না। এইরকম অনেক ক্ষেত্র রয়েছে, যেগুলোতে নিরপেক্ষ থাকার মাধ্যমে আমরা দেখাতে পারি যে, আমরা ঈশ্বরের রাজ্য অথবা সরকারকে সমর্থন করি।
-
-
নিরপেক্ষ থাকার অর্থ কী?চিরকাল জীবন উপভোগ করুন!—ঈশ্বরের কাছ থেকে শিখুন
-
-
৪. আপনার চিন্তাভাবনা ও কাজের মাধ্যমে নিরপেক্ষতা দেখান
১ যোহন ৫:২১ পদ পড়ুন। ভিডিওটা দেখুন এবং এরপর এই প্রশ্নগুলো নিয়ে আলোচনা করুন।
কেন ভাই আয়েঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দলের অংশ হতে অথবা পতাকাকে সেলুট করতে চাননি ?
আপনার কি মনে হয়, ভাই বুদ্ধির সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন?
এমন আর কোন পরিস্থিতি হতে পারে, যেখানে আমরা কারো পক্ষ নেওয়া শুরু করতে পারি? ভিডিওটা দেখুন এবং এরপর এই প্রশ্নগুলো নিয়ে আলোচনা করুন।
দুটো দেশের মধ্যে যখন কোনো খেলা চলে, তখন আমরা কীভাবে নিরপেক্ষ থাকতে পারি?
রাজনৈতিক নেতারা যে-সিদ্ধান্ত নেয়, সেগুলো আমাদের জন্য উপকার কিংবা ক্ষতি নিয়ে আসতে পারে। কীভাবে আমরা এই পরিস্থিতিতেও নিরপেক্ষ থাকতে পারি?
আমরা যে-সমস্ত খবর শুনি এবং যাদের সঙ্গে মেলামেশা করি, তাদের কারণে আমরা কীভাবে কারো পক্ষ নেওয়া শুরু করতে পারি?
কোন ক্ষেত্রগুলোতে একজন খ্রিস্টানকে তার চিন্তাভাবনা ও কাজে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে?
-