ওয়াচটাওয়ার অনলাইন লাইব্রেরি
ওয়াচটাওয়ার
অনলাইন লাইব্রেরি
বাংলা
  • বাইবেল
  • প্রকাশনাদি
  • সভা
  • যোয়েল ২
  • পবিত্র বাইবেল—নতুন জগৎ অনুবাদ

এই বাছাইয়ের সঙ্গে কোনো ভিডিও প্রাপ্তিসাধ্য নেই।

দুঃখিত, ভিডিওটা চালানো সম্বভব হচ্ছে না।

যোয়েল ২:১

পাদটীকা

  • *

    বা “পৃথিবীর।”

যোয়েল ২:২

পাদটীকা

  • *

    আক্ষ., “লোকদের।”

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ,

    ১০/১/২০০৭, পৃষ্ঠা ১৩

    ৮/১/১৯৯২, পৃষ্ঠা ১১

যোয়েল ২:৬

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ,

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১১

যোয়েল ২:৭

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ (অধ্যয়ন),

    ৪/২০২০, পৃষ্ঠা ৩

    প্রহরীদুর্গ,

    ৪/১৫/২০০৯, পৃষ্ঠা ১৮-১৯

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১১

    ৮/১/১৯৯২, পৃষ্ঠা ১১-১২

যোয়েল ২:৮

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ (অধ্যয়ন),

    ৪/২০২০, পৃষ্ঠা ৩, ৫

    প্রহরীদুর্গ,

    ৪/১৫/২০০৯, পৃষ্ঠা ১৮-১৯

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১১

    ৮/১/১৯৯২, পৃষ্ঠা ১১-১২

যোয়েল ২:৯

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ (অধ্যয়ন),

    ৪/২০২০, পৃষ্ঠা ৩, ৫

    প্রহরীদুর্গ,

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১১-১২

    ৮/১/১৯৯২, পৃষ্ঠা ১১-১২

যোয়েল ২:১০

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ,

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১২

যোয়েল ২:১১

পাদটীকা

  • *

    বা সম্ভবত, “যে-ব্যক্তি ঈশ্বরের কথা অনুযায়ী কাজ করছে, সে।”

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ,

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ৯, ১২

    ১২/১৫/১৯৯৭, পৃষ্ঠা ১১

যোয়েল ২:১২

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ,

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৫-১৬

যোয়েল ২:১৩

পাদটীকা

  • *

    আক্ষ., “তোমাদের হৃদয় ছেঁড়ো।”

  • *

    বা “সদয়।”

  • *

    বা “বিষয়টা নিয়ে অনুশোচনা করবেন।”

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ,

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৫-১৬

যোয়েল ২:১৪

পাদটীকা

  • *

    বা “এবং অনুশোচনা করবেন।”

  • *

    বা “ভক্ষ্য নৈবেদ্য।”

যোয়েল ২:১৬

পাদটীকা

  • *

    বা “প্রাচীনদের।”

যোয়েল ২:১৮

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ,

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৭-১৮

যোয়েল ২:১৯

পাদটীকা

  • *

    বা “ওয়াইন।”

যোয়েল ২:২০

পাদটীকা

  • *

    অর্থাৎ ডেড সি।

  • *

    অর্থাৎ ভূমধ্যসাগর।

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ (অধ্যয়ন),

    ৪/২০২০, পৃষ্ঠা ৩, ৫

যোয়েল ২:২১

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ,

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৭-১৮

যোয়েল ২:২২

পাদটীকা

  • *

    অর্থাৎ পশু চরানোর মাঠ।

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ,

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৭-১৮

যোয়েল ২:২৩

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ,

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৭-১৮

যোয়েল ২:২৪

পাদটীকা

  • *

    বা “ওয়াইন।”

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ,

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৭-১৮

যোয়েল ২:২৫

পাদটীকা

  • *

    ইব্রীয় পাঠ্যাংশে এই পদে পঙ্গপালের জন্য চারটে আলাদা শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ (অধ্যয়ন),

    ৪/২০২০, পৃষ্ঠা ৩

যোয়েল ২:২৭

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ,

    ৮/১/১৯৯২, পৃষ্ঠা ১২

যোয়েল ২:২৮

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ (অধ্যয়ন),

    ৪/২০২০, পৃষ্ঠা ৩, ৫-৬

    জীবন ও পরিচর্যা সভার জন্য অধ্যয়ন পুস্তিকা,

    ১০/২০১৭, পৃষ্ঠা ৮

    জীবন ও পরিচর্যা সভার জন্য অধ্যয়ন পুস্তিকা-র রেফারেন্স, ১০/২০১৭, পৃষ্ঠা ৫

    প্রহরীদুর্গ,

    ৮/১/২০০২, পৃষ্ঠা ১৫

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৩-১৫

    ৫/১৫/১৯৯৫, পৃষ্ঠা ১১

    ২/১/১৯৯৪, পৃষ্ঠা ২৮

    ৮/১/১৯৯২, পৃষ্ঠা ১২

যোয়েল ২:২৯

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ (অধ্যয়ন),

    ৪/২০২০, পৃষ্ঠা ৩, ৫-৬

    প্রহরীদুর্গ,

    ৮/১/২০০২, পৃষ্ঠা ১৫

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৩-১৫

    ৫/১৫/১৯৯৫, পৃষ্ঠা ১১

যোয়েল ২:৩০

পাদটীকা

  • *

    বা “পৃথিবীতে চিহ্ন।”

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ,

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৩-১৪, ১৮-১৯

    ১২/১৫/১৯৯৭, পৃষ্ঠা ১৬-১৭

    ২/১/১৯৯৪, পৃষ্ঠা ২৮-২৯

যোয়েল ২:৩১

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    প্রহরীদুর্গ,

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৩-১৪, ১৮-১৯

    ১২/১৫/১৯৯৭, পৃষ্ঠা ১৬-১৭

    ৩/১/১৯৯৭, পৃষ্ঠা ১৪

    ২/১৫/১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২০-২১

    ২/১/১৯৯৪, পৃষ্ঠা ২৮-২৯

    ৮/১/১৯৯২, পৃষ্ঠা ১২

যোয়েল ২:৩২

ইনডেক্স

  • গবেষণা নির্দেশিকা

    জীবন ও পরিচর্যা সভার জন্য অধ্যয়ন পুস্তিকা,

    ১০/২০১৭, পৃষ্ঠা ৮

    প্রহরীদুর্গ,

    ১০/১/২০০৭, পৃষ্ঠা ১৩

    ৫/১/১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১৩-১৯

    ১২/১৫/১৯৯৭, পৃষ্ঠা ১৬-১৭, ১৯-২০

    ৮/১/১৯৯২, পৃষ্ঠা ১২, ১৪

বাইবেলের অন্যান্য অনুবাদ

এই শাস্ত্রপদটা অন্যান্য বাইবেলে কীভাবে এসেছে, তা দেখার জন্য শাস্ত্রপদের নম্বরের উপর ক্লিক করুন।
  • পবিত্র বাইবেল—নতুন জগৎ অনুবাদ
  • ১
  • ২
  • ৩
  • ৪
  • ৫
  • ৬
  • ৭
  • ৮
  • ৯
  • ১০
  • ১১
  • ১২
  • ১৩
  • ১৪
  • ১৫
  • ১৬
  • ১৭
  • ১৮
  • ১৯
  • ২০
  • ২১
  • ২২
  • ২৩
  • ২৪
  • ২৫
  • ২৬
  • ২৭
  • ২৮
  • ২৯
  • ৩০
  • ৩১
  • ৩২
পবিত্র বাইবেল—নতুন জগৎ অনুবাদ
যোয়েল ২:১-৩২

যোয়েল

২ “সিয়োনে শিঙা বাজাও!

আমার পবিত্র পর্বতে যুদ্ধের হুংকার দাও।

দেশের* সমস্ত বাসিন্দা যেন কাঁপে

কারণ যিহোবার দিন আসছে! সেটা কাছে এসে গিয়েছে!

 ২ সেটা ঘন অন্ধকারের দিন,

সেটা ঘন কালো মেঘের দিন,

সেটা ভোরের আলোর মতো, যেটা পর্বতের উপর ছড়িয়ে পড়ে।

পঙ্গপালের* এমন এক সেনাবাহিনী রয়েছে, যেটার সংখ্যা অগণিত এবং যেটা অনেক শক্তিশালী,

আগে কখনো সেই সেনাবাহিনীর মতো কোনো সেনাবাহিনী ছিল না আর পরেও হবে না,

প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরেও হবে না।

 ৩ সেটার সামনে যা-কিছু রয়েছে, আগুন সেগুলো খেয়ে ফেলে

আর সেটার পিছনে যা-কিছু রয়েছে, আগুনের শিখা সেগুলো পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়।

সেটার সামনে এদন বাগানের মতো দেশ রয়েছে,

কিন্তু সেটার পিছনে ধ্বংস হওয়া প্রান্তর রয়েছে

আর কোনো কিছুই সেটার হাত থেকে বাঁচতে পারে না।

 ৪ সেটা ঘোড়ার মতো দেখতে

আর সেগুলো যুদ্ধের ঘোড়ার মতো দৌড়োয়।

 ৫ সেগুলো যখন পর্বতের চূড়ায় লাফিয়ে লাফিয়ে যায়, তখন রথ চলার মতো শব্দ হয়,

জ্বলন্ত আগুনে খড়কুটো পোড়ার মতো শব্দ হয়।

সেগুলো এমন বীরযোদ্ধাদের মতো, যারা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

 ৬ সেগুলোর কারণে জাতিগুলো খুব চিন্তিত হয়ে পড়বে।

প্রত্যেকের মুখে ভয়ের ছাপ থাকবে।

 ৭ সেগুলো যোদ্ধাদের মতো তেড়ে আসে,

সৈন্যদের মতো প্রাচীর বেয়ে ওঠে,

সেগুলোর প্রতিটা নিজের নিজের পথে চলে,

সেগুলো নিজের পথ থেকে সরে যায় না।

 ৮ সেগুলো একটা অন্যটাকে ধাক্কা দেয় না,

সবাই নিজের পথে এগোতে থাকে।

কয়েকটা যদি অস্ত্রের কারণে পড়ে যায়,

তারপরও অন্যগুলো এগোতে থাকে।

 ৯ সেগুলো নগরের মধ্যে হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়ে, প্রাচীরের উপর দিয়ে দৌড়োয়।

সেগুলো দেওয়াল বেয়ে বাড়িগুলোর উপর উঠে পড়ে, জানালাগুলো দিয়ে চোরের মতো ঢোকে।

১০ সেগুলোর সামনে মাটি কাঁপে এবং আকাশ দোলে।

সূর্য ও চাঁদ অন্ধকার হয়ে গিয়েছে,

তারাগুলো নিজেদের আলো হারিয়ে ফেলেছে।

১১ যিহোবা তাঁর সেনাবাহিনীর সামনে জোরগলায় আদেশ দেবেন কারণ তাঁর প্রচুর সৈন্য রয়েছে।

কারণ ঈশ্বর নিজের কথা অনুযায়ী কাজ করছেন আর তিনি* শক্তিশালী।

কারণ যিহোবার দিন মহৎ এবং খুবই বিস্ময়কর।

কে সেই দিনে টিকে থাকতে পারবে?”

১২ যিহোবা ঘোষণা করেন: “কিন্তু, এখনও সময় আছে, তোমরা তোমাদের সমস্ত হৃদয় দিয়ে আমার কাছে ফিরে এসো,

তোমরা উপবাস করো এবং জোরে জোরে কাঁদো আর আমার কাছে ফিরে এসো।

১৩ তোমরা কেবল নিজেদের পোশাক ছিঁড়ো না

বরং তোমাদের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া হৃদয়ের মাধ্যমে দেখাও যে, তোমরা অনুশোচনা করছ*

আর তোমাদের ঈশ্বর যিহোবার কাছে ফিরে এসো

কারণ তিনি সমবেদনাময়* ও করুণাময়, তিনি দ্রুত রেগে যান না আর তিনি অটল প্রেমে পরিপূর্ণ

আর তিনি বিপর্যয় আনার বিষয়টা আবারও ভেবে দেখবেন।*

১৪ কে জানে, তিনি হয়তো নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন এবং আবারও ভেবে দেখবেন*

আর তোমাদের আশীর্বাদ করবেন,

যাতে তোমরা তোমাদের ঈশ্বর যিহোবার উদ্দেশে শস্য নৈবেদ্য* এবং পেয় নৈবেদ্য উৎসর্গ করতে পার!

১৫ সিয়োনে শিঙা বাজাও!

উপবাস ঘোষণা করো, এক বিশেষ সভার আয়োজন করো।

১৬ লোকদের একত্রিত করো, মণ্ডলীকে পবিত্র করো।

বয়স্ক ব্যক্তিদের* জড়ো করো, সন্তানদের এবং দুধ খায় এমন শিশুদের একত্রিত করো।

বর ও কনে যেন তাদের ভিতরের ঘর থেকে বের হয়ে আসে।

১৭ যে-যাজকেরা অর্থাৎ যিহোবার সেবকেরা বারান্দা ও বেদির মাঝে সেবা করে,

তারা যেন কাঁদে এবং বলে:

‘হে যিহোবা, তোমার লোকদের প্রতি দয়া দেখাও,

তোমার উত্তরাধিকারকে উপহাসের পাত্র করে তুলো না,

জাতিগুলোকে তাদের উপর শাসন করতে দিয়ো না।

কেন লোকেরা বলবে, “কোথায় গেল তাদের ঈশ্বর?”’

১৮ তখন যিহোবা তাঁর দেশের জন্য উদ্যোগী হবেন

এবং তাঁর লোকদের প্রতি সমবেদনা দেখাবেন।

১৯ যিহোবা তাঁর লোকদের এই উত্তর দেবেন:

‘দেখো, আমি তোমাদের কাছে শস্য, নতুন দ্রাক্ষারস* এবং তেল পাঠাচ্ছি

আর তোমরা পুরোপুরিভাবে পরিতৃপ্ত হবে,

আমি আর জাতিগুলোর মাঝে তোমাদের নিন্দার পাত্র করব না।

২০ আমি উত্তর দিক থেকে আসা ব্যক্তিকে তোমাদের কাছ থেকে অনেক দূরে তাড়িয়ে দেব,

আমি তাকে এক শুষ্ক এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়া জায়গায় তাড়িয়ে দেব,

আমি তার সামনের দিকে থাকা সেনাবাহিনীকে পূর্ব দিকের সমুদ্রের* দিকে তাড়িয়ে দেব

এবং তার পিছনের দিকে থাকা সেনাবাহিনীকে পশ্চিম দিকের সমুদ্রের* দিকে তাড়িয়ে দেব।

তার মৃতদেহ থেকে পচা গন্ধ বের হবে

আর সেই দুর্গন্ধ দেশে ছড়িয়ে পড়বে

কারণ ঈশ্বর মহৎ মহৎ কাজ করবেন।’

২১ হে দেশ, ভয় পেয়ো না।

আনন্দ ও উল্লাস করো কারণ যিহোবা মহৎ মহৎ কাজ করবেন।

২২ মাঠের পশুরা ভয় পেয়ো না

কারণ প্রান্তরের চারণভূমিগুলো* সবুজ হয়ে উঠবে

আর গাছগুলোতে ফল ধরবে,

ডুমুর গাছ এবং আঙুর গাছ প্রচুর ফল দেবে।

২৩ সিয়োনের ছেলেরা, তোমরা যিহোবার কারণে আনন্দ ও উল্লাস করো

কারণ তিনি তোমাদের সঠিক মাত্রায় শরৎ কালের বৃষ্টি দেবেন

আর তিনি তোমাদের প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি দেবেন

আর আগের মতোই তিনি তোমাদের শরৎ কালের এবং বসন্ত কালের বৃষ্টি দেবেন।

২৪ শস্য মাড়াই করার জায়গাগুলো শস্যে ভরে যাবে

আর পেষাই করার গর্তগুলো থেকে নতুন দ্রাক্ষারস* এবং তেল উপচে পড়বে।

২৫ আমি সেই বছরগুলোর জন্য তোমাদের ক্ষতিপূরণ দেব,

যখন আমি তোমাদের মাঝে আমার বিশাল সেনাবাহিনী পাঠিয়েছিলাম,

যখন পঙ্গপালের দল,* উড়ে আসা পঙ্গপালের দল, বাচ্চা পঙ্গপাল এবং অন্যান্য পঙ্গপাল তোমাদের শস্য খেয়ে নিয়েছিল।

২৬ তোমরা নিশ্চিতভাবেই খেয়ে পরিতৃপ্ত হবে

আর তোমরা তোমাদের ঈশ্বর যিহোবার নামের প্রশংসা করবে,

যিনি তোমাদের জন্য আশ্চর্যজনক কাজ করেছেন।

আমার লোকদের আর কখনো লজ্জিত করা হবে না।

২৭ আর তোমরা বুঝবে যে, আমি ইজরায়েলের মাঝে রয়েছি

আর আমি তোমাদের ঈশ্বর যিহোবা, আমি ছাড়া আর কোনো ঈশ্বর নেই!

আমার লোকদের আর কখনো লজ্জিত করা হবে না।

২৮ তারপর, আমি সমস্ত ধরনের ব্যক্তির উপর আমার পবিত্র শক্তি ঢেলে দেব

আর তোমাদের ছেলেরা ও মেয়েরা ভবিষ্যদ্‌বাণী করবে,

তোমাদের বয়স্ক লোকেরা বিশেষ স্বপ্ন দেখবে

এবং তোমাদের যুবকেরা দর্শন দেখবে।

২৯ সেই সময় আমি এমনকী আমার দাসদের ও দাসীদের উপরও

আমার পবিত্র শক্তি ঢেলে দেব।

৩০ আমি আকাশে ও পৃথিবীতে আশ্চর্যজনক বিষয়* দেখাব:

রক্ত, আগুন এবং ধোঁয়ার স্তম্ভ।

৩১ যিহোবার সেই মহৎ এবং খুবই বিস্ময়কর দিন আসার আগে

সূর্য অন্ধকার হয়ে যাবে এবং চাঁদ রক্তের মতো লাল হয়ে যাবে।

৩২ আর যে-কেউ যিহোবার নামে ডাকবে, সে রক্ষা পাবে

কারণ ঠিক যেমনটা যিহোবা বলেছেন, সিয়োন পর্বতে এবং জেরুসালেমে সেই লোকেরা থাকবে, যারা বেঁচে যাবে,

সেই রক্ষাপ্রাপ্ত লোকেরা, যাদের যিহোবা ডাকবেন।”

বাংলা প্রকাশনা (১৯৮৯-২০২৬)
লগ আউট
লগ ইন
  • বাংলা
  • শেয়ার
  • পছন্দসমূহ
  • Copyright © 2026 Watch Tower Bible and Tract Society of Pennsylvania
  • ব্যবহারের শর্ত
  • গোপনীয়তার নীতি
  • গোপনীয়তার সেটিং
  • JW.ORG
  • লগ ইন
শেয়ার